স্টিভেন স্মিথের পথেই হাঁটলেন ডেভিড ওয়ার্নার। আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়কত্ব ছাড়লেন তিনি। দলটির প্রধান নির্বাহী কে শানমুমুগাম এই কথা জানিয়েছেন।
সামজিক যোগযোগ মাধ্যম টুইটারে তিনি জানান, 'সম্প্রতিক পরিস্থিতির আলোকে ডেভিড ওয়ার্নার সানরাইজ হায়দরাবাদের অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। দ্রুতই দলের নতুন অধিনায়কের নাম ঘোষণা করা হবে।'
বল টেম্পারিং কাণ্ডে এর আগে অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর পরেই আইপিএলে রাজস্থান রয়্যালসের নেতৃত্ব ছাড়েন স্মিথ। অস্ট্রেলিয়ার সহ-অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ালেও ওয়ার্নার তখন আইপিএল নিয়ে কোনো পদক্ষেপ করেননি।হায়দরাবাদ ফ্র্যাঞ্চাইজিও ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তের দিকেই তাকিয়েছিল। ওয়ার্নারকে নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি তারাও।
শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার তদন্তে ওয়ার্নার দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পরেই আইপিএলে সানরাইজার্সের নেতৃত্ব থেকে নিজেই সরে দাঁড়ালেন ওয়ার্নার। তার পরিবর্তে হায়দরাবাদের নতুন অধিনায়ক হওয়ার দৌঁড়ে এগিয়ে রয়েছেন ভারতের হার্ডহিটার শিখর ধাওয়ান।
'মাস্টার মাইন্ড' ছিলেন ওয়ার্নার!
এক ঘটনায় পাল্টে গেলো অস্ট্রেলিয়ার ড্রেসিং রুমের চিত্র! দলের তিন শীর্ষস্থানীয় ক্রিকেটারের ক্যারিয়ার সমাপ্তির পথে। ইতোমধ্যে অধিনায়ক স্মিথ, সহ অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার এবং ওপেনার ক্যামেরন ব্যানক্রফটকে দেশে ফেরার নির্দেশ দিয়েছে অস্ট্রেলিয়া ক্রিকেট বোর্ড। সংস্থাটি ইতোমধ্যেই নিশ্চিত হয়েছে কেপটাউন টেস্টের তৃতীয় দিনের বল টেম্পারিংয়ের ঘটনার 'মাস্টার মাইন্ডের' ভূমিকা পালন করেছেন ওয়ার্নার। কার্য সম্পাদনে তিনি বেছে নেন ওপেনিং পার্টনার ক্যামেরুন ব্যানক্রফটকে। এ ক্ষেত্রে ওয়ার্নার অনুমোদনও নেন অধিনায়ক স্টিভেন স্মিথের।
টেম্পারিংয়ের ঘটনা প্রকাশের পর টিম অস্ট্রেলিয়ার পক্ষ থেকেও বাঁ-হাতি ওপেনার ওয়ার্নারকেই প্রকৃত সমস্যা হিসেবে উত্থাপন হয়েছে সিএ’র অভ্যন্তরীণ তদন্তে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের কাছে। সিএ’র সাথে ঘনিষ্ঠ এক সূত্র বিষয়টি নিশ্চিত করেছে ইএসপিএন-ক্রিকইনফোকে। বলেছে, ‘সব সত্যই বেরিয়ে আসতে শুরু করেছে’।
তারা জানান, কেপটাউনের উইকেট থেকে বাড়তি সুইং পেতে বলের আকৃতি পরিবর্তন অপরিহার্য’ ধারণা ওয়ার্নার প্রতিষ্ঠিত করেন অসি ড্রেসিংরুমে। যদিও সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, টেম্পারিং ঘটনার বিষয়ে টিম অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যেকেই অবগত ছিলেন।
ক্রিকেটারদের ইস্যুতে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার (সিএ) সাথে সর্বদা ফাইট দিয়েছেন ডেভিড ওয়ার্নার। সংস্থাটিও দ্রুততম সময়ে প্রতিশোধে মরিয়া। টিম অস্ট্রেলিয়ার জন্য ‘ওয়ার্নার প্রধান ইস্যু’ বলেও নিশ্চিত হয়েছে সিএ।
